মিড-ডে মিলের নিয়মে কড়াকড়ি: ঘড়ি ধরে খাবার না পৌঁছালে এবার মিলবে শাস্তি!
August 7, 20268:13 am

স্কুলের শিশুদের সঠিক পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে রাজ্যের মিড-ডে মিল ব্যবস্থায় জারি করা হলো একগুচ্ছ নতুন ও কঠোর নির্দেশিকা। খাবার সরবরাহের সময় রক্ষা, গুণগত মান এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
নতুন নির্দেশিকার মূল বিষয়সমূহ:
- কঠোর সময়সীমা: মর্নিং স্কুলের ক্ষেত্রে সকাল ৮:৩০টা এবং ডে-স্কুলের ক্ষেত্রে দুপুর ১:৩০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের টেবিলে খাবার পরিবেশন করা বাধ্যতামূলক। কোনো স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেদের ইচ্ছামতো এই সময় পরিবর্তন করতে পারবে না।
- জিপিএস ও পরিবহন নিয়ম: খাবারের নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করতে প্রতিটি গাড়ি GPS-নিয়ন্ত্রিত নির্ধারিত রুট ব্যবহার করবে। বিদ্যালয়ের চত্বরের ভেতর কোনো খাবারবাহী গাড়ি পার্ক করা যাবে না।
- শিক্ষকদের নজরদারি: খাবারের মান ও পরিমাপ যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্কুলের নির্দিষ্ট শিক্ষকদের ওপর। দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক নিজে খাবারের গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা করবেন।
- রাঁধুনি ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তথ্য জমা: কাজের স্বচ্ছতা আনতে রাঁধুনি এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও প্রশাসনিক তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিক তথ্য জমা না পড়লে বা গাফিলতি থাকলে সংশ্লিষ্টদের নিয়োগ বাতিলের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের আশা, এই কড়া পদক্ষেপের ফলে মিড-ডে মিল সংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতা দূর হবে এবং রাজ্যের হাজার হাজার শিক্ষার্থী সরাসরি উপকৃত হবে।