টেলিপ্যাথি আর অশরীরীর রহস্য! পিএইচডি করার এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করবেন না তো?

টেলিপ্যাথি আর অশরীরীর রহস্য! পিএইচডি করার এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করবেন না তো?

ভূত-প্রেতের অস্তিত্ব কিংবা টেলিপ্যাথির মতো বিষয় নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। এই জল্পনার অবসান ঘটাতে এবার বড় পদক্ষেপ করেছে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির কোয়েস্টলার প্যারাসাইকোলজি ইউনিটে অতিপ্রাকৃত ও অদ্ভুত সব বিষয় নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই বিশেষ শাখায় শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের কৌতূহল মেটানোর সুযোগ পাচ্ছেন।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এখানে কি সত্যিই ভূত বা অশরীরী প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়? এর উত্তর হলো, গবেষকদের মূল লক্ষ্য অতিপ্রাকৃত ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করা নয়। বরং মানুষ কেন এমন অলৌকিক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয় বা কেন এসব বিষয়ে বিশ্বাস করে, তার পেছনের মনোবিজ্ঞান ও মস্তিষ্কের কার্যপ্রণালি অনুসন্ধান করাই এর আসল উদ্দেশ্য। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মানুষের স্মৃতি, মনোযোগ এবং নানা পরিবেশগত প্রভাব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে থাকে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *