৯৩ বয়সেও চশমা ছাড়া ছুটছেন কার্যালয়ে! ৯৩ বছরের এই পঞ্চায়েত সদস্যের কর্মদক্ষতা চমকে দেবে আপনাকে

একদিকে জনগণের প্রতি গভীর দায়িত্ববোধ আর অন্যদিকে প্রবল ইচ্ছাশক্তি—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে ৯৩ বছর বয়সেও সমান সক্রিয় অনিলকুমার পাত্র। পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং ব্লকের পাল হরিহরপুর গ্রামের এই প্রবীণ প্রতিনিধি বর্তমানে সবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কোনো জটিল রোগব্যাধি নেই, এমনকি চোখে চশমাও ওঠে না তাঁর। ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন বাড়ি থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরের গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে তিনি নিয়ম করে উপস্থিত হন। একসময় নিজে সাইকেল চালিয়ে গেলেও এখন নাতির সঙ্গে যাতায়াত করেন তিনি, প্রয়োজনে নিয়মিত যান ব্লক কার্যালয়েও।
১৯৫৫ সালে কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী হিসেবে অনিলবাবুর রাজনৈতিক যাত্রার সূচনা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে রাজ্যে প্রথম ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়ে নারায়ণবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোনীত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা রাজনৈতিক পালাবদল দেখেছেন তিনি। নারায়ণবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ১৫ বছর প্রধানের দায়িত্ব সামলানো এই প্রতিনিধি ২০১৫ সালে তৃণমূলে যোগ দেন। ২০১৮ সালে তিনি সবং পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ হন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও অদম্য মানসিক শক্তিকে সম্বল করে আজও জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন প্রবীণ এই প্রতিনিধি।