মুর্শিদাবাদে ঘাসফুল শিবিরে বড় ধস, অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধান

বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই নানা জায়গায় রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। এবার মুর্শিদাবাদে বড়সড় ধাক্কার মুখে পড়ল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। কান্দি মহকুমা এলাকার প্রভাব বিস্তারকারী একাধিক তৃণমূল নেতা ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগ দিলেন।
বহরমপুরের জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর উপস্থিতিতে আন্দুলিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মালেক সেখ কংগ্রেসে শামিল হন। তাঁর সঙ্গে আন্দুলিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান এবং একঝাঁক পঞ্চায়েত সদস্য ও সক্রিয় কর্মী তৃণমূল ছেড়ে হাত শিবিরের দলীয় পতাকা তুলে নেন।
দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা ওই অঞ্চলে সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের এই দলবদলে কান্দি ব্লকে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই জোর ধাক্কা খেল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নবাগতদের স্বাগতম জানিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, মুর্শিদাবাদে সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে এই নেতারা সত্যের পথ বেছে নিয়েছেন এবং এতে কান্দিতে কংগ্রেস আরও শক্তিশালী হবে।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত হুমায়ুন কবীর ভোটের আগেই দল ছেড়েছিলেন। যদিও সাম্প্রতিক নির্বাচনে অধীর চৌধুরী নিজে পরাজিত হয়েছিলেন, তবুও জেলা রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব যে এখনও অটুট—এই দলবদল তারই প্রমাণ দিল। এই ঘটনা যেমন কংগ্রেস ও অধীর চৌধুরীকে নতুন অক্সিজেন জোগাল, তেমনই জেলার রাজনীতিতে তৃণমূলকে কিছুটা ব্যাকফুটে ঠেলে দিল।