হজ-উমরাহ্য় গিয়ে আর ভিক্ষা নয়! সৌদি প্রবাসী পাকিস্তানিদের কড়া হুঁশিয়ারি পাক দূতাবাসের

প্রতি বছর পাকিস্তান থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার পুণ্যার্থী হজ ও উমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান। তবে বিগত কয়েক বছরে সেখানে গিয়ে অনেক পাকিস্তানি নাগরিকের বিরুদ্ধে ভিক্ষাবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে এবং সৌদি পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে আটকও করেছে। এ নিয়ে তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছে শেহবাজ শরিফের সরকার। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার নিজ দেশের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে কড়া সতর্কবার্তা জারি করল সৌদিতে অবস্থিত পাকিস্তানি দূতাবাস।
পাকিস্তান দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, হজ বা উমরাহ করতে গিয়ে কোনোভাবেই ভিক্ষা করা বা অনুমতি ছাড়া কারো কাছ থেকে টাকা তোলা যাবে না। মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা রক্ষায় সৌদি কর্তৃপক্ষ ভিক্ষাবৃত্তির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। আইন অমান্য করলে গ্রেপ্তার, আটক এমনকি স্থায়ীভাবে দেশ থেকে বহিষ্কার বা ডিপোর্ট করা হতে পারে।
নাগরিকদের সচেতন করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI দিয়ে তৈরি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে পাক দূতাবাস। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নিয়ম ভঙ্গ করায় এক পাকিস্তানিকে গ্রেপ্তার করছে সৌদি পুলিশ। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা রয়েছে—“পাকিস্তান থেকে উমরাহ করতে আসা সমস্ত তীর্থযাত্রী ও কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।”
দূতাবাসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, উমরাহ বা হজের ভিসার শর্ত ও মেয়াদ অত্যন্ত কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। যে উদ্দেশ্যে ভিসা দেওয়া হয়েছে, তার বাইরে অন্য কোনো কাজের সাথে যুক্ত হওয়া বা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সৌদিতে অবস্থান করা সম্পূর্ণ বেআইনি। যেকোনো আর্থিক সাহায্য বা লেনদেনের ক্ষেত্রে সৌদি আইন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।