তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের প্রাণহানির পর বড় পদক্ষেপ, বন্ধ হচ্ছে ১৫টি হোটেল

বীরভূমের তারাপীঠে হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছে। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে পুলিশ সংশ্লিষ্ট হোটেল মালিক ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনসহ মারাত্মক গাফিলতির একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। এর পাশাপাশি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তারাপীঠের চণ্ডীপুর এলাকার ১৫টি হোটেল ও লজ অবিলম্বে বন্ধের নোটিস জারি করছে রামপুরহাট মহকুমা প্রশাসন। রামপুরহাটের মহকুমা শাসক জানান, অগ্নিনির্বাপণ লাইসেন্স না থাকা এবং বিদ্যুৎ সংক্রান্ত অনিয়মের কারণে আগে একাধিকবার নোটিস দেওয়া সত্ত্বেও হোটেল কর্তৃপক্ষ জবাব না দেওয়ায় এই কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সামনে কৌশিকী অমাবস্যায় পুণ্যার্থীদের ভিড় ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে দমকল, পূর্ত দফতর, বিদ্যুৎ নিগম ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ৯ সদস্যের একটি বিশেষ ‘স্পেশাল ফায়ার অডিট টিম’ গঠন করা হয়েছে। দমকল প্রতিমন্ত্রীও জেলা প্রশাসন ও হোটেল মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে কঠোর নিয়মনীতি পালনের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার সময় হোটেলে থাকা ৪৩ জন আবাসিকদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রাথমিক উদ্ধারকাজে ২২ জনকে বের করে আনা সম্ভব হয়। নিখোঁজ আবাসিকদের সন্ধানে হোটেল সংলগ্ন পুকুরে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।