আকাশছোঁয়া চিনির দাম, E20 পেট্রোলই কি টানল উৎসবের আনন্দে লাগাম?
উৎসবের মরসুমের আগেই দেশজুড়ে হু হু করে বাড়ছে চিনির দাম, যা সাধারণ মানুষের বাজেটে বড়সড় আঘাত হেনেছে। মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরসহ বিভিন্ন বাজারে পাইকারি ও খুচরো দর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, কিছু স্থানে প্রতি কেজির দাম ৬৫ টাকায় ঠেকেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেট্রোলে ই২০ লক্ষ্যমাত্রায় ইথানল মেশানোর প্রক্রিয়ায় আখের একটি বড় অংশ ডিস্টিলারিতে চলে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহে টান পড়েছে। তবে কেবল জ্বালানি নীতিই নয়, মজুতদারদের কারসাজি এবং পরিসংখ্যানের অমিলকেও এই কৃত্রিম সংকটের জন্য দায়ী করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বজায় রাখতে ইতিমধ্যেই চিনি রপ্তানিতে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে প্রায় এক দশক পর আমদানির ওপর থাকা ১০০ শতাংশ শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে বিদেশ থেকে চিনি এনে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। সামনেই মিষ্টি ও প্রক্রিয়াজাত পণ্যের বর্ধিত চাহিদার কথা মাথায় রেখে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং খাদ্যপণ্যের মূল্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।