পঠনপাঠন সচল রেখে শিক্ষকদের সেন্সাসের কাজ, হাইকোর্টের বড় নির্দেশের পর পিছু হটল রাজ্য
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/18/High%20court-a2e77e2c.jpg?w=640&fit=640,360&ssl=1)
জনগণনার কাজের দরুন স্কুলের পঠনপাঠনে কোনোভাবেই প্রভাব ফেলা যাবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, জনগণনার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের ওই কাজের সময় ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য করতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যেন ব্যাহত না হয়, সে জন্য সেন্সাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে তাঁর স্কুলের কাজের দায়িত্ব অন্য কোনো শিক্ষককে বুঝিয়ে দিতে হবে প্রধান শিক্ষককে। পাশাপাশি সেন্সাস ডিরেক্টর সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে কাজের দায়িত্ব ও সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেবেন। মূলত পঠনপাঠন ও স্কুলের নিয়মিত কাজকর্ম সচল রাখতেই আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে।
এর আগে সপ্তাহান্তে বা ছুটির দিনে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, যা ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা গড়ালে কেন্দ্র ও রাজ্যের অবস্থানের মধ্যে চরম সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, সপ্তাহের সাধারণ কর্মদিবসেই সেন্সাসের কাজে শিক্ষকদের ব্যবহার করা উচিত। প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতার মুখে আদালত হস্তক্ষেপ করলে রাজ্য সরকার তাদের আগের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়। তবে শিক্ষকরা কাজ থেকে পুরোপুরি রেহাই পাননি; সেন্সাস বোর্ড নতুন দিকনির্দেশনা মেনে তাঁদের কাজের সময়সূচি নির্ধারণ করবে।