তিস্তা থেকে সিন্ধু: জলবণ্টন ইস্যুতে ভারতকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ফেলার একই কৌশলে ঢাকা ও ইসলামাবাদ?

আন্তর্জাতিক নদী জলবণ্টন নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ ও ঢাকার কূটনৈতিক কৌশলে অভিন্ন সুর দেখা যাচ্ছে। পাকিস্তানের পথ অনুসরণ করে এবার বাংলাদেশও নদী জলচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক ফোরামে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
বাংলাদেশের জলসম্পদ মন্ত্রী শহিদুদ্দিন চৌধুরী আনি সম্প্রতি ঢাকায় এক সেমিনারে জানান, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জলচুক্তির নবায়নে অবশ্যই একটি ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ বা ন্যূনতম জলের নিশ্চয়তা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে যা বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই ১৯৭৭ সালের গ্যারান্টি ধারার পুনঃপ্রবর্তন চায় বর্তমান সরকার।
এর অর্থ হলো— শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা ব্যারেজের জলস্তর যতই কমুক না কেন, বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ জল দিতেই হবে। তিস্তা ইস্যুসহ এই দাবিগুলো ভারত না মানলে আগামী মাসে জাতিসংঘে (UN) বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিস্তা নদী প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারতের পাশাপাশি বিকল্প আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পথও খোলা রাখা হচ্ছে। পূর্বে পাকিস্তান যেভাবে সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গিয়েছিল, ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ফোরামে যাওয়ার এই কূটনৈতিক অবস্থান ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চাপ তৈরি করছে।