ইথানল বিতর্কেই কি আকাল? চড়চড়িয়ে দাম বাড়ার জেরে হেঁশেলে হাহাকার, মাথায় হাত গৃহস্থের

ই-২০ পেট্রল তৈরিতে ইথানলের ব্যবহার এবং আখ উৎপাদনের ঘাটতির জেরে দেশজুড়ে হু হু করে বাড়ছে চিনির দাম। কলকাতার পাইকারি বাজারে গত কয়েক সপ্তাহে চিনির দর এক ধাক্কায় অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ গৃহস্থের মাসিক বাজেট এবং মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের ওপরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্র এক দশকেরও বেশি সময় পর বিদেশ থেকে শুল্কমুক্ত চিনি আমদানির অনুমতি দিতে বাধ্য হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে চিনির এই সঙ্কট আরও গভীর, কারণ এ রাজ্যে উৎপাদিত চিনির পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। ফলস্বরূপ, রাজ্যবাসীকে পুরোপুরি নির্ভর করতে হয় মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ ও কর্নাটকের মতো ভিন্রাজ্যের সরবরাহের ওপর। মিল মালিকদের লাগাতার দাম বাড়ানোর প্রবণতা এবং পরিবহণ খরচের ধাক্কায় শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারে এসে চিনির কেজি প্রতি দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। আসন্ন উৎসবের মরসুমের আগে এই মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম না পরালে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।