মাত্রাতিরিক্ত রক্তারক্তি আর দুর্বল চিত্রনাট্যে কি মার খেল যশের ‘টক্সিক’! জানুন বিস্তারিত

বছরের অন্যতম চর্চিত ছবি ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। চার বছর পর বড়পর্দায় কামব্যাক করা দক্ষিণী সুপারস্টার যশ অভিনীত এই ছবিটির পটভূমি ১৯৪০-এর দশকের গোয়া। শৈশবের অন্ধকার ও গ্যাংস্টার জীবনের ছায়ায় বেড়ে ওঠা ‘রায়া’ চরিত্রের হাত ধরে পর্দায় এসেছে উগ্র পৌরুষের আতিশয্য। তবে পরিচালক গীতু মোহনদাসের এই মেগাবাজেট ছবিতে অতিরিক্ত রক্তারক্তি, যথেচ্ছ হিংসা এবং যৌন সুড়সুড়িমূলক দৃশ্যের আধিক্য ছবির মূল আবেদন অনেকটা ম্লান করে দিয়েছে।
দ্বৈত চরিত্রে যশের অভিনয় এবং কিয়ারা আডবানি, নয়নতারা ও হুমা কুরেসির মতো তারকামূল্য থাকলেও ছবির চিত্রনাট্যের বাঁধুনি অত্যন্ত অপরিপক্ক। নারীদের ভোগ্যপণ্য হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা এবং ক্ষণে ক্ষণে দৃশ্যপট বদলানোর দুর্বলতা সমালোচনার মুখে পড়েছে। সবমিলিয়ে, জমকালো কাস্টিং ও নান্দনিক সিনেমাটোগ্রাফি থাকা সত্ত্বেও বাঁধনছাড়া সহিংসতা এবং অগোছালো চিত্রনাট্যের কারণে প্রত্যাশা পূরণে বড়সড় হোঁচট খেয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি।