লাগাতার বৃষ্টিতে আসানসোল জলমগ্ন, পাণ্ডবেশ্বরে ধস! ৯০ হাজার কিউসেকের বেশি জল ছাড়ল ডিভিসি

ঝাড়খণ্ড ও দক্ষিণবঙ্গজুড়ে টানা বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। একদিকে নদী ও জলাধারগুলোতে হু হু করে জল বাড়ছে, অন্যদিকে খনি এলাকায় দেখা দিচ্ছে ধসের আতঙ্ক।
মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ একধাক্কায় অনেকটা বাড়ানো হয়েছে। ডিভিসি সূত্রে খবর, দুই জলাধার থেকে সম্মিলিতভাবে বর্তমানে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০ হাজার ৭৯৫ কিউসেক জল ছাড়ায় সেই প্রভাব গিয়ে পড়েছে দামোদর নদে। ফলে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকেও জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে বুধবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ৯৭ হাজার কিউসেক করা হয়েছে। সেচ দফতর সতর্ক করে জানিয়েছে, বৃষ্টি আরও বাড়লে নিম্ন দামোদর অববাহিকার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
টানা জলচ্ছ্বাসের পাশাপাশি দুর্গতির ছবি ফুটে উঠেছে আসানসোলে। বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল চরম ব্যাহত হচ্ছে। এর মধ্যেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে। হরিপুরের ৭ ও ৯ নম্বর পিট সংলগ্ন খনি আবাসনের কাছে আচমকা মাটি বসে বড় গর্ত তৈরি হয়ে ধস নেমেছে।
স্থানীয়দের মতে, একটানা ভারী বৃষ্টিতে মাটি আলগা হয়েই এই বিপদ। খবর পেয়ে বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার যাদব ইসিএল (ECL) কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, দ্রুত এই ধস মেরামত না করলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।