প্যানিক অ্যাটাক নাকি সাইরেন্ট হার্ট অ্যাটাক? একই লক্ষণে আসল বিপদ চিনবেন কীভাবে?

বুকে আকস্মিক ব্যথা বা অস্বস্তি শুরু হলে কোনটা প্যানিক অ্যাটাক আর কোনটা হার্ট অ্যাটাক—তা বুঝে ওঠা সাধারণ মানুষের পক্ষে বেশ কঠিন। দুটি ভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা হলেও এদের বাহ্যিক লক্ষণগুলোতে ব্যাপক মিল থাকায় মানুষ প্রায়ই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, প্যানিক অ্যাটাক বা অতিরিক্ত উদ্বেগের সময় হুট করেই তীব্র ভয় বা আতঙ্ক কাজ করে। এর ফলে হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে যাওয়া, হাত-পা কাঁপা এবং অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
অন্যদিকে, হার্ট অ্যাটাকের ধরন কিছুটা আলাদা। এক্ষেত্রে বুকের ঠিক মাঝখানে তীব্র চাপ, ভারি ভাব বা অস্বস্তি অনুভূত হয়, যা কয়েক মিনিটের বেশি সময় ধরে বজায় থাকে। অনেক সময় এই ব্যথা ছড়াতে ছড়াতে হাত, কাঁধ, পিঠ, ঘাড় কিংবা চোয়াল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এর পাশাপাশি প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হওয়া এবং শরীর থেকে ঠান্ডা ঘাম বের হওয়া হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।
চিকিৎসকদের স্পষ্ট বার্তা—বুকের হঠাৎ শুরু হওয়া যেকোনো নতুন বা অচেনা ব্যথাকে শুধুমাত্র ‘মানসিক চাপ’ বা ‘গ্যাস’ ভেবে এড়িয়ে যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। বুকের ব্যথার সঙ্গে যদি প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা কিংবা অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দেয়, তবে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপই পারে একটি অমূল্য প্রাণ বাঁচাতে।