কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে ধুন্ধুমার! প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার নোটিস ঘিরে রণক্ষেত্র চত্বর

প্রশাসনিক ভবনের অভ্যন্তরে সমস্ত ধরনের বিক্ষোভ ও কর্মসূচি নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জারি করা একটি নোটিসকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। গত মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিতর্কিত নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর থেকেই তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিভিন্ন ছাত্র ও কর্মী সংগঠন। নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ কর্মচারী সংঘ, এবিভিপি এবং বিএমএস-এর সদস্যরা রেজিস্ট্রারের কক্ষের সামনে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করতে এবং প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর রোধ করতেই উপাচার্যের নির্দেশে এই অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, গণতান্ত্রিক কাঠামোয় শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশের অধিকার প্রত্যেকেরই রয়েছে, তাই এই নির্দেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই নজিরবিহীন প্রতিবাদের জেরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নোটিসটি প্রত্যাহার করে নেয় বলে জানা গেছে। তবে প্রশাসনিক কাজকর্মের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে বিকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের জায়গার দাবিও উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ এই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ক্যাম্পাসের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষায় এখন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।