মাখন-মিছরিতেই শেষ নয়! জন্মাষ্টমীতে গোপালকে খুশি করতে ভোগে রাখুন এই ৫টি প্রিয় খাবার
September 4, 20269:34 am

সনাতন ধর্মে জন্মাষ্টমী তিথির গুরুত্ব অপরিসীম। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার শ্রীকৃষ্ণ। সারা দেশ জুড়েই এই দিনটি চরম ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়। মধ্যরাতে রোহিনী নক্ষত্রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কৃষ্ণ।
জন্মাষ্টমীর পুজোয় বাল গোপালের ভোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষ্ণ মানেই মাখন-মিছরি—মাতা যশোদার ভাঁড়ার থেকে মাখন চুরি করে খাওয়ার জন্য তাঁর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘মাখন চোর’। তাই জন্মাষ্টমীতে মাখন-মিছরি তো থাকবেই, তবে এছাড়াও শ্রীকৃষ্ণকে প্রসন্ন করতে ভোগে রাখতে পারেন আরও কিছু বিশেষ পদ:
- পনজিরি: ময়দা, ঘি, চিনি ও নানাবিধ বাদাম দিয়ে তৈরি এই ঐতিহ্যবাহী পদটি শ্রীকৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয়। জন্মাষ্টমীতে পনজিরির ভোগ দেওয়া অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
- শ্রীখণ্ড: জল ঝরানো দই ও মিষ্টি দিয়ে তৈরি শ্রীখণ্ড কৃষ্ণের খুব পছন্দের খাবার। বিশেষ করে গুজরাত ও ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে এর বেশ প্রচলন রয়েছে।
- মালপোয়া: পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, রাধার হাতের মালপোয়া খেতে অত্যন্ত ভালোবাসতেন মূরলীধর। তাই গোপালের কৃপা পেতে মালপোয়া নিবেদন করতে ভুলবেন না।
- মোহনভোগ: প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, মোহনভোগ ছাড়া শ্রীকৃষ্ণের পুজো আসাম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই কৃষ্ণের পুজোর থালায় মোহনভোগ রাখা অবশ্য প্রয়োজন।
জন্মাষ্টমীর এই পুণ্য তিথিতে ভক্তিভরে গোপালকে তাঁর প্রিয় খাবারগুলি নিবেদন করলে তিনি দ্রুত প্রসন্ন হন এবং ভক্তের সমস্ত মনস্কামনা পূরণ করেন।