৬০ দিনে ৭০২ পাতার চার্জশিট! বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে কারা অভিযুক্ত?

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের চাঞ্চল্যকর নাবালিকা গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড মামলায় বড়সড় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করল পুলিশ। ঘটনার ঠিক ৬০ দিনের মাথায় বারুইপুরের বিশেষ পকসো আদালতে ৭০২ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে সিট। গত ৩১ আগস্ট পেশ করা এই ১৪০৮/২০২৬ নম্বর চার্জশিটে ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও পকসো আইনের একাধিক কঠোর ধারা যুক্ত করা হয়েছে। মূল চার অভিযুক্তের মধ্যে প্রভাস মণ্ডল নামে এক অভিযুক্তের পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে মৃত্যু হওয়ায় বর্তমানে মামলায় অভিযুক্তের সংখ্যা তিনজন। নির্যাতিতা ও তার পরিবারের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
গত ৪ জুলাই রাতে সূর্যপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া নাবালিকার বস্তাবন্দি নিথর দেহ পরদিন বিকেলে পুকুর থেকে উদ্ধার হতেই তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ময়নাতদন্তের চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে প্রকাশ পায় যে, বস্তায় পুরে জলে ফেলে দেওয়ার আগে শিশুটির ওপর চরম পাশবিক অত্যাচার চালানো হয়েছিল। মাথায় মারাত্মক আঘাত, যৌনাঙ্গে ক্ষত এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে। এমনকি জলে ফেলার সময়েও শিশুটির শরীরে প্রাণ অবশিষ্ট ছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে এই নৃশংস অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে শক্তপোক্ত প্রমাণসহ চার্জশিট পেশ করে আদালতের মুখোমুখি পুলিশ।