পাক স্পাইকাণ্ডে বড় মোড়: পিংলার ওটিপি পাচার মামলার তদন্তে নামল এনআইএ

পাক স্পাইকাণ্ডে বড় মোড়: পিংলার ওটিপি পাচার মামলার তদন্তে নামল এনআইএ

পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সিমকার্ড পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া দুই যুবকের মামলার তদন্তভার হাতে নিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। রাজ্যে এনআইএ থানা তৈরির নির্দেশের পর এটিই প্রথম মামলা, যার তদন্ত সরাসরি শুরু করল কেন্দ্রীয় এই সংস্থা।

গত মে মাসে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) পিংলা এলাকা থেকে ক্ষীরাই পঞ্চায়েতের বাসিন্দা শেখ মুরসালিন এবং সুরজচকের গৌতম খাঁড়াকে গ্রেফতার করে। তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য— অভিযুক্তেরা পিংলা থেকে প্রচুর মোবাইল সিমকার্ড সংগ্রহ করত। এরপর সেই সিম ব্যবহার করে তৈরি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের ওটিপি (OTP) পাঠাত পাকিস্তানের আইএসআই হ্যান্ডলারদের কাছে। এসটিএফের জেরায় ধৃতেরা স্বীকার করেছে, প্রতি ওটিপি পাঠানোর বিনিময়ে তারা আড়াই হাজার টাকা করে পেত।

তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া ভ্রমণের সময়েই আইএসআই-এর এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে মুরসালিনের। কেবল পিংলাই নয়, পরবর্তীতে মুর্শিদাবাদ ও কোচবিহারে একই ধরনের চক্রের সন্ধান মেলে। তদন্তে প্রকাশ পায়, পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেআইনিভাবে কেনা ওই সিমকার্ডগুলির নম্বর সরাসরি পাকিস্তান সেনাছাউনিতে ব্যবহার করা হচ্ছিল। ঘটনার সঙ্গে পাক চক্রান্তের গভীর যোগসূত্র স্পষ্ট হতেই মামলার গুরুত্ব বুঝে তদন্তের পুরো দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেয় এনআইএ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *