নন্দীগ্রামে ফের মমতা? ‘আর কোথায় হারবেন উনিই জানেন’, দিলীপের খোঁচায় তুঙ্গে রাজনৈতিক পারদ!

নন্দীগ্রামে ফের মমতা? ‘আর কোথায় হারবেন উনিই জানেন’, দিলীপের খোঁচায় তুঙ্গে রাজনৈতিক পারদ!

২০২৬-এর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনের সূচি ঘোষণা হতেই রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ অর্থাৎ মমতাপন্থী শিবিরের প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। রাজনৈতিক মহলে চর্চা চলছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই হয়তো আবার নন্দীগ্রাম থেকে লড়াইয়ে নামতে পারেন।

এই জল্পনার কথা উঠতেই বিজেপি নেতা তথা রাজ্যপাল দিলীপ ঘোষ নিজের চেনা মেজাজে কটাক্ষ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে উনি আগেও হেরেছেন, ভবানীপুরেও হেরেছেন। আর কোথায় কোথায় গিয়ে হারতে চান, সেটা ওঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। উনিই ভাল বলতে পারবেন।” দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তিনি পাল্টা বলেন, “আমাদের দল কাকে প্রার্থী করবে, তা নিয়ে ওঁর অহেতুক মাথা না ঘামালেও চলবে।”

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও দলের ফল নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। তাই এই উপনির্বাচনে তৃণমূল কী রণকৌশল নেয়, সেদিকে নজর সবার।

অন্যদিকে, তৃণমূলের অপর অংশ অর্থাৎ ঋতব্রত শিবিরের তরফে আলাদা প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও প্রবীণ নেতা ঋজু দত্ত ও বিধায়ক মদন মিত্র স্পষ্ট করেছেন—যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন, তবে সৌজন্যের খাতিরে তারা কোনো পৃথক প্রার্থী দেবেন না।

এর পাশাপাশি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, উপনির্বাচনে মূল ‘জোড়াফুল’ প্রতীক আসলে কারা পাবে? প্রতীক জট কাটাতে ঋতব্রত শিবির ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। কমিশন আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দুই শিবিরকেই দিল্লিতে তলব করেছে। আপাতত রাজনৈতিক মহলের চোখ ১২ সেপ্টেম্বরের সেই বৈঠকের দিকেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *