উপনির্বাচনে বড় ধাক্কা! জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন

উপনির্বাচনে বড় ধাক্কা! জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগেই বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। কালীঘাট শিবির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) এবং ঋতব্রত শিবিরের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও বিখ্যাত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক—দুটোই আপাতত ফ্রিজ় করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে কোনো শিবিরই এই নাম বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

কমিশনের মূল নির্দেশিকা:

  • নাম ও প্রতীক বাতিল: উপনির্বাচনে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ঘাসের ওপর জোড়াফুল’ প্রতীক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
  • নতুন নামের তালিকা: দুই শিবিরকেই শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে নতুন ৩টি করে নামের প্রস্তাব পাঠাতে হবে।
  • সাময়িক প্রতীক: কমিশনের অনুমোদিত নতুন নাম ও আইকন নিয়েই দুই শিবিরকে উপনির্বাচনে নামতে হবে।
  • স্থায়ী স্বত্ব পন্ডিং: দলের তহবিল, আসল স্বত্ব ও স্থায়ী প্রতীক কার ভাগে যাবে, তা পরে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

সংঘাতের নেপথ্য কাহিনি: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চরম আকার নেয়। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ‘বিরোধী দলনেতা’ ঘোষণা করার পর থেকেই ঋতব্রত শিবিরের বিদ্রোহ শুরু হয়। পরবর্তীতে প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়কে চেয়ারম্যান করে নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গড়ে তোলে ঋতব্রত শিবির। একের পর এক বিধায়ক যোগ দেওয়ায় এবং দলীয় তহবিল ফ্রিজ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রতীক ও নামের ভবিষ্যৎ এসে আটকে যায় নির্বাচন কমিশনের হাতে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *