জোড়াফুল ফ্রিজ! ইন্দিরার পথে হেঁটে ‘তৃণমূল (এম)’ নাম আনছেন মমতা?

জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ হতেই রাজ্য রাজনীতিতে নাম ও প্রতীক যুদ্ধ চরমে। ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি আপাতত দুই শিবিরের কেউই ব্যবহার করতে পারছে না। ফলে বিধানসভা ও লোকসভার লড়াইয়ে টিকে থাকতে বিকল্প নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী।
ঋতব্রত শিবিরের ৩ বিকল্প নাম নির্বাচন কমিশনের কাছে নতুন নাম ও চিহ্নের জন্য আবেদন জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। তাদের প্রস্তাবিত তিনটি নাম হলো:
- জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস
- গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস
- ওয়েস্ট বেঙ্গল তৃণমূল কংগ্রেস
ইন্দিরা গান্ধীর পথে মমতা! অন্যদিকে, মমতাপন্থী শিবির স্পষ্ট করে দিয়েছে যে দলের আসল ‘ব্র্যান্ড’ ও ‘মুখ’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। অতীতে যেমন ইন্দিরা গান্ধীর সময় ‘কংগ্রেস (আই)’ গঠিত হয়েছিল, ঠিক একই মডেলে এবার ‘তৃণমূল কংগ্রেস (এম)’ নামটি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ভোট ময়দানে নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল হিসেবে তুলে ধরাই এখন মমতাপন্থীদের মূল চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল
- মমতার পাশে কংগ্রেস: প্রতীক হাতছাড়া হওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করেছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে নির্বাচন কমিশনের তরফে এটি এক গভীর রাতের উপহার। শিবসেনা ও এনসিপি-র মতো বাংলাতেও একই খেলা খেলছে বিজেপি।”
- বিজেপির কটাক্ষ: তৃণমূলের এই অচলাবস্থা নিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “তৃণমূল বলে আর কোনও অস্তিত্বই নেই। এটাই ওপরওয়ালার বিচার। তৃণমূল দলটা আজ পুরোপুরি মৃত।”