‘শূন্য যোগ শূন্য ফলাফল শূন্যই!’ নন্দীগ্রামে মমতার সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীকে কটাক্ষ শমীকের, তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক

‘শূন্য যোগ শূন্য ফলাফল শূন্যই!’ নন্দীগ্রামে মমতার সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীকে কটাক্ষ শমীকের, তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি! একদিকে প্রার্থী প্রত্যাহার ও সমর্থনের নাটকীয় সমীকরণ, অন্যদিকে গভীর রাতে কংগ্রেস প্রার্থীর আকস্মিক গ্রেপ্তার—এই জোড়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজা চরম আকার ধারণ করেছে।

মনোনয়ন প্রত্যাহার ও প্রার্থীর গ্রেপ্তার: প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এর পরপরই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির পরেই নেমে আসে প্রশাসনিক খাঁড়া। ২০০৭ সালের একটি পুরনো মামলায় গভীর রাতে মিলন প্রধানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

কংগ্রেসের তোপ ও লন্ডনের বার্তা: কংগ্রেস প্রার্থীর এই গ্রেপ্তারির তীব্র নিন্দা করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাঁদের অভিযোগ, এটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা নয়, বরং সরাসরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

অন্যদিকে, বর্তমানে লন্ডন সফরে থাকা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এক ভিডিও বার্তায় ক্ষোভ উগরে দেন। মাথায় টুপি ও চশমা পরা অধীর বাবু অভিযোগ করেন, বিজেপি দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে উপহাসের বিষয়ে পরিণত করেছে। স্থানীয় পুলিশ কোনো কারণ ছাড়াই নির্বাচন ভেস্তে দিতে এই পদক্ষেপ করেছে বলে দাবি জানান তিনি।

‘শূন্যের সঙ্গে শূন্য যোগ’: বিজেপির কটাক্ষ কংগ্রেস ও তৃণমূলের এই রাজনৈতিক সমীকরণকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “তৃণমূলের রাজনৈতিক অস্তিত্ব আজ বিপন্ন, আর কংগ্রেস সব দলের হাত ধরে কোনোমতে টিকে থাকতে চাইছে। তৃণমূল আজ নির্মূল। আর শূন্যের সঙ্গে শূন্য যোগ করলে তার ফলাফল শূন্যই হবে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *