নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের মুখেই বড় ধাক্কা! ২০০৭-এর পুরনো মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস প্রার্থী ছুটলেন হাইকোর্টে

নন্দীগ্রাম: আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচন। তবে ভোটের বাদ্যি বাজতেই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনে তুমুল সরগরম নন্দীগ্রামের রাজনীতি। ২০০৭ সালের এক পুরনো মামলায় পুলিশি গ্রেফতারির পর এবার রক্ষাকবচ চেয়ে সরাসরি কলকাতা হাইকোর্টের দরজায় কড়া নাড়লেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান।
পুলিশ সূত্রের খবর, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চণ্ডীপুর থানার পুলিশ মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের একাধিক গুরুতর ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা ঝুলে ছিল এবং তিনি ‘পলাতক’ ছিলেন। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ অভিযান চলাকালীন তাঁকে পাকড়াও করা হয়। পুলিশি চার্জশিট অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, অস্ত্র নিয়ে হিংসা ছড়ানো এবং প্রমাণ লোপাটের মতো বেশ কিছু অসংজ্ঞানীয় ও গুরুতর ধারায় মামলা রয়েছে।
তবে কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর শিবিরের পাল্টা অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার করার পরপরই তাঁর ওপর সুপরিকল্পিতভাবে আরও পাঁচটি নতুন মামলা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
এই আইনি জট থেকে নিষ্কৃতি ও গ্রেফতারি এড়াতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছেন মিলন প্রধান। মঙ্গলবার হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। উপনির্বাচনের প্রচারের চরম মুহূর্তে প্রার্থীর বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ এবং হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আর্জি—সব মিলিয়ে ভোটের আগে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক লড়াই এখন নতুন মোড় নিয়েছে।