ব্যারিকেডে রাহুল-প্রিয়ঙ্কা, আটক অভিষেক-মহুয়া! দিল্লিতে ধুন্ধুমার ইসি অভিযান

নির্বাচন কমিশন (EC) অভিযানকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছে জাতীয় রাজধানী দিল্লি। বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের পূর্বঘোষিত ম্যারাথন মিছিল মাঝপথেই আটকে দেয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপরই পরিস্থিতি মারাত্মক মোড় নেয়। পুলিশের ব্যারিকেডের উপরে উঠে পড়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী।
অন্যদিকে, পুলিশি বাধার মুখে পড়ে আটক হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও’ব্রায়েন সহ বিরোধী শিবিরের একাধিক হেভিওয়েট নেতা।
রাস্তায় ধরনায় খাড়গে, মাঝপথেই অবরুদ্ধ মিছিল সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে মিছিল শুরু হতেই কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় গোটা এলাকা। মিছিল নির্দিষ্ট পথে এগোতেই ভারী ব্যারিকেড দিয়ে তা আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদে ব্যারিকেডের সামনেই রাস্তায় বসে পড়ে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, পি চিদম্বরম সহ বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতারা।
আকাশবাণী ভবনে রাহুল-প্রিয়ঙ্কা, মাত্র ১০০ মিটার দূরে কমিশন সহযোগীদের আটক করা সত্ত্বেও পিছু হঠেননি রাহুল গান্ধী। পুলিশি নজর এড়িয়ে ঘুরপথে নির্বাচন কমিশনের দিকে যাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালান তিনি। বাধা ও দীর্ঘ ধাক্কাধাক্কির পর সোজা আকাশবাণী ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন তিনি। এখান থেকে নির্বাচন কমিশন ভবন মাত্র ১০০ মিটার দূরে।
ভবনের অন্দরেই ধর্ণা, ভেতরে ঢুকল পুলিশ বর্তমানে আকাশবাণী ভবনের ভেতরেই প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে সঙ্গে নিয়ে ধর্ণায় বসেছেন রাহুল। তাঁদের বাইরে বের করতে ইতিমধ্যেই ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেছে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে, ভবনের বাইরে আটকে রয়েছেন কেসি বেণুগোপাল সহ অন্যান্য নেতারা। সব মিলিয়ে এই হাই-ভোল্টেজ রাজনৈতিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজধানীতে।