মোবাইল ও টিভির যুগেও মহালয়ার ভোরে কেন আকাশছোঁয়া রেডিওর টিআরপি?

মোবাইল ও টিভির যুগেও মহালয়ার ভোরে কেন আকাশছোঁয়া রেডিওর টিআরপি?

পঞ্জিকা মতে পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার পুণ্য সন্ধিক্ষণে মহালয়ার ভোর মানেই আপামোর বাঙালির হৃদয়ে এক অবিচ্ছেদ্য নস্টালজিয়া। আজকের দিনে হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন এবং ঘরে ঘরে আধুনিক টেলিভিশন বা ডিজিটাল স্ক্রিনের রমরমা বাজার থাকলেও, বছরের কেবল এই একটিমাত্র বিশেষ দিনে শ্রবণযন্ত্র রেডিওর টিআরপি থাকে একদম আকাশছোঁয়া। ঘুমচোখে আকাশবাণী কলকাতার ফ্রিকোয়েন্সিতে কান পেতে থাকার আবহমানকালের এই ঐতিহ্য ও আবেগ আজও একচুলও ম্লান হয়নি।

১৯৩১ সাল থেকে আকাশবাণীতে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক সম্প্রচারে ১৯৩২ সাল থেকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জাদুকরী কণ্ঠে পরিবেশিত ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ এক অনন্য উচ্চতা পেয়েছে। তাঁর অমর কণ্ঠের উচ্চারণ “আশ্বিনের শারদ প্রাতে…” এবং পঙ্কজ কুমার মল্লিকের সুরারোপিত আগমনী গান বাঙালির রক্তে চিরকাল শিহরণ জাগায়। গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণের পাশাপাশি বেতারে এই চণ্ডীপাঠ শোনার মাধ্যমেই মূলত প্রথা মেনে বাঙালির ঘরে ঘরে দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন ও মহোৎসবের প্রকৃত সূচনা ঘটে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *