হুথি রুখতে এবার একজোট তিন দেশ, সৌদি আরবে পৌঁছচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্কের ফৌজ!

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমাগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অস্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এমন সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরাসরি সামরিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল পাকিস্তান ও তুরস্ক। সোমবার রিয়াধে আয়োজিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’-এর জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সৌদির সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামো রক্ষায় দ্রুত সেনা ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম পাঠাবে এই দুই দেশ। চুক্তির শর্তানুসারে, জোটভুক্ত যেকোনো একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় আঘাত এলে তা তিনটি দেশের ওপর সম্মিলিত আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র শহরসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক স্থাপনায় হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে এই যৌথ সামরিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে ইতিমধ্যেই মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত পাকিস্তানি লেফট্যানেন্ট জেনারেল নুমান মাহমুদকে। তিন বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। মূলত যৌথ সামরিক প্রস্তুতি, গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান এবং রণকৌশলগত সমন্বয় বাড়াতেই এই দ্রুত মোতায়েনের সিদ্ধান্ত। যদিও ঠিক কত সংখ্যক সেনা কিংবা কী ধরণের সামরিক সরঞ্জাম সৌদিতে পাঠানো হচ্ছে, তা আইনগত ও কৌশলগত নিরাপত্তার স্বার্থে গোপন রাখা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি সমর্থিত বাহিনীর পাল্টা অভিযানের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায়, পাকিস্তান ও তুরস্কের এই প্রত্যক্ষ সামরিক অংশগ্রহণ সমগ্র অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন ও শক্তিশালী মাত্রার যোগ করল।