বাঙালির ঘর ভেঙে জঙ্গি যোগাযোগ, এনআইএ জালে আসামে ধৃত দম্পতি

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশকারীর বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ মজিবুর রহমান ও তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি এবং আসাম মডিউলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই অভিযান চালায়। তদন্তে জানা গিয়েছে, পড়াশোনার সময় সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের সংস্পর্শে আসেন মজিবুর। গত জানুয়ারিতে আসামে জঙ্গিযোগের মামলা রুজু হওয়ার পর বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। পরে দিল্লিতে এক মহিলার সঙ্গে আত্মগোপন করে তাঁকে বিয়ে করেন মজিবুর। ওই মহিলার ভূমিকা এবং সংগঠনের কার্যকলাপে তাঁর কোনো যোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
বিহারের একটি গোপন আস্তানা থেকে মজিবুর ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করার পর কুশকারীতে নিয়ে এসে এই জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। প্রায় চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে মজিবুরকে গ্রেপ্তার করে বংশীহারি থানায় নিয়ে যায় এনআইএ। তাঁর ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কুশকারীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। রবিবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে অভিযুক্তকে পেশ করা হলে বিচারক পাঁচদিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে আসামে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, এই পুরো তদন্ত প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।