‘আন্দোলন করা ভারতে একটা ফ্যাশন!’— বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

‘আন্দোলন করা ভারতে একটা ফ্যাশন!’— বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি রাজপথে নেমে আন্দোলনে শামিল হয়েছে ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’। তাঁদের এই প্রতিবাদের সমর্থনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তায় নেমেছেন একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও। তবে শনিবারই দিল্লি পুলিশের কঠোর পদক্ষেপে ব্যাহত হয় তাঁদের এই কর্মসূচি। আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নামার আগেই বিভিন্ন এলাকা থেকে কাকরোচ দলের নেতা-কর্মীদের আটক করে পুলিশ। এমনকী, বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকেও সাময়িকভাবে আটক করে আন্দোলন পুরোপুরি ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।

বিরোধী দলগুলোর এই প্রতিবাদী আন্দোলনকে তীব্র কটাক্ষ করে রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ একে স্রেফ এক ধরণের ‘ফ্যাশন’ বলে অভিহিত করেছেন। আন্দোলনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিবাদ বা আন্দোলন হতেই পারে। এমনকি অনেকে তো মাসের পর মাস অবস্থান বিক্ষোভ করেছেন। তবে ভারতে এক শ্রেণীর মানুষের আন্দোলন করাটা একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। কোনো কাজ না থাকলেই ‘চল আন্দোলন করি’— এটাই ওদের মূল মানসিকতা। বিদেশি অনুদান ও বিভিন্ন স্থান থেকে অর্থ জোগাড় করে রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির হাতের পুতুল হয়ে এরা এসব চালিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন এই নাটক চলবে, তারপর এমনিতেই থমে যাবে।”

উল্লেখ্য, কাকরোচ পার্টির এই প্রতিবাদের পেছনে বিদেশি শক্তির আর্থিক মদত রয়েছে বলে শুরু থেকেই অভিযোগ তুলে আসছে বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে সর্বভারতীয় নেতাদের পর এবার একই সুরে সুর মেলালেন দিলীপ ঘোষও। রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রীর দাবি, অভিজিৎ দীপক ও সৌরভ দাসদের মতো নেতাদের পরিচালিত এই আন্দোলনের নেপথ্যে রটেছে বিদেশি ফান্ডিং, যার একমাত্র লক্ষ্য দেশে অরাজকতা তৈরি করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *