ডিএ বাড়লেও অসন্তোষ! ডিসেম্বরের মধ্যেই ৬০% ডিএ-র সমতা চাইছেন সরকারি কর্মীরা

ডিএ বাড়লেও অসন্তোষ! ডিসেম্বরের মধ্যেই ৬০% ডিএ-র সমতা চাইছেন সরকারি কর্মীরা

চলতি মাসেই পকেট ভরতে চলেছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষমতায় এসেই একধাক্কায় মহার্ঘ ভাতা (DA) এক লাফে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের (6th Pay Commission) আওতায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত ২০% ডিএ অনুমোদিত হয়েছে, যা চলতি অক্টোবর মাস থেকেই কার্যকর হতে চলেছে।

কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র ব্যবধান কমানোর দাবি: এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছিলেন। নতুন এই বৃদ্ধির পর মোট ডিএ গিয়ে পৌঁছেছে ৩৮ শতাংশে। কিন্তু এতেও কিন্তু পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন কর্মচারীদের একাংশ। তাঁদের দাবি, এই বর্ধিত মহার্ঘ ভাতা অক্টোবর থেকে নয়, কার্যকর করা হোক গত জুলাই মাস থেকেই।

অন্যদিকে, কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র তুলনা টেনে এই বকেয়া দ্রুত মেটানোর দাবি তুলেছেন। সমাজমাধ্যমে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ৬০% হারে ডিএ পাচ্ছেন। আর রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এই মাস থেকে পাবেন ৩৮%। ফলে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এখনও ২২ শতাংশের ফারাক রয়েই গিয়েছে। মলয়বাবুর স্পষ্ট দাবি, “চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই ২২% বকেয়া যোগ করে ৬০% ডিএ-র সমতা আনতে হবে।”

সরকারের প্রতিশ্রুতি ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ: বর্তমান সরকারের এই একধাক্কায় ডিএ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হলেও, বাকি ২২ শতাংশ বকেয়া ডিএ দ্রুত পরিশোধের দাবিতে সরব কর্মীরা। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে বাজেট পেশের পর মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, পুজোর মাসেই বর্ধিত ডিএ কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে এবং বকেয়া ফারাকও ধীরে ধীরে কমবে।

তিনি কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, “বাকি ২২ শতাংশের যে ফারাক রয়েছে, তাও পর্যায়ক্রমে মেটানো হবে। স্বপন দাশগুপ্তের পরবর্তী বাজেট পর্যন্ত একটু ধৈর্য ধরুন, আমি তো আপনাদের সঙ্গেই আছি। এমনকি সপ্তম বেতন কমিশনের জন্যও ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *