আপেল নাকি মোমবাতি, চম্পাহাটির বাজিতে এবার চমক!

দীপাবলিতে আধুনিকতার ছোঁয়া, বাজারের নজর কাড়ল ‘খাদ্যবস্তুর’ আদলে তৈরি বাহারি মোমবাতি
নিজস্ব প্রতিবেদন: দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। আর এই উৎসবের অনুষঙ্গে এক সময় ছিল সাদা মোমবাতির একাধিপত্য। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিরাচরিত ধারা বদলেছে। চলতি বছর দীপাবলির বাজারে ক্রেতাদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে আপেল ও লাড্ডুর আদলে তৈরি নান্দনিক মোমবাতি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটির হাড়ালের বাজারে এই ধরনের মোমবাতির চাহিদা তুঙ্গে।
দীর্ঘদিন ধরে কালীপুজো ও দীপাবলির রাতে সাদা মোমবাতির আলোয় ঘর সাজানোর চল ছিল। পরবর্তীতে লাল, নীল, সবুজ এবং কাপ মোমবাতির জনপ্রিয়তা বাড়ে। সেই ধারাবাহিক বিবর্তনের নতুন সংযোজন হলো খাদ্যবস্তুর আকৃতিসম্পন্ন এই মোমবাতিগুলো। নিখুঁত কারুকার্যের ফলে দূর থেকে এগুলোকে আসল ফল বা মিষ্টি বলেই মনে হচ্ছে, যা ক্রেতাদের সহজেই আকৃষ্ট করছে।
বাজি বাজারের বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আধুনিকতার সন্ধানে থাকা ক্রেতারা এখন নিত্যনতুন মোমবাতির দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে এই বাহারি মোমবাতিগুলো দেখামাত্রই ক্রেতারা তা কিনে নিচ্ছেন। বিক্রেতাদের কথায়, মোমবাতির এই অভিনব রূপ ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, যা ব্যবসায়ীদের মুখেও হাসি ফুটিয়েছে।
বর্তমানে এই মোমবাতিগুলো পাঁচ থেকে ছ’টির প্যাকেটে বিক্রি হচ্ছে। এক একটি প্যাকেটের দাম প্রায় আড়াইশো টাকা। প্রথাগত আলোর উৎসকে ছাপিয়ে উৎসবের বাজারে আধুনিকতার এই মোমবাতি এখন রীতিমতো ‘টক অফ দ্য টাউন’।