অমিত শাহকে কষা মাংস ও ইলিশের ভোজের নিমন্ত্রণ, তৃণমূলের ভোট যুদ্ধের আবহে তুঙ্গে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ

অমিত শাহকে কষা মাংস ও ইলিশের ভোজের নিমন্ত্রণ, তৃণমূলের ভোট যুদ্ধের আবহে তুঙ্গে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ

বাংলার ভোটের ময়দানে রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেই এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কষা মাংস ও ইলিশ ভাপার ভোজের নিমন্ত্রণ জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ‘খাদ্য সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে এই অভিনব কটাক্ষ শানিয়েছে শাসক দল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ বার্তা, বিজেপি শাসিত রাজ্যে মাছ-মাংস বিক্রির ওপর বিধিনিষেধের চেষ্টা চললেও বাংলায় মানুষের খাদ্যাভ্যাসে কোনও হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই শাহের বাংলা সফরকে ‘পর্যটক’ সুলভ বলে বিঁধেছে ঘাসফুল শিবির।

তৃণমূলের এই রাজনৈতিক আক্রমণের সমান্তরালে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বড়সড় স্বস্তি মিলেছে শাসক শিবিরে। সপ্তম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর গোয়ালপোখরের গোলাম রব্বানি, চণ্ডীতলার স্বাতী খন্দকার এবং উত্তরপাড়ার শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীদের নাম অবশেষে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আগে এই প্রার্থীদের নাম ‘বিবেচনাধীন’ থাকায় তৃণমূলের অন্দরে আইনি জটিলতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, যা কমিশনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে দূর হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জুডিশিয়াল অফিসাররা প্রায় ৪৯ লক্ষ ৬২ হাজারের বেশি অভিযোগ নিষ্পত্তি করেছেন। যাদের নাম এখনও তালিকায় বাদ রয়েছে, তাদের দ্রুত অন্তর্ভুক্তির জন্য বেহালায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে একদিকে ভোটার তালিকা নিয়ে আইনি স্বস্তি এবং অন্যদিকে বাঙালির প্রিয় ইলিশ-মাংসের মেনু কার্ড দিয়ে বিজেপিকে রাজনৈতিক খোঁচা—দুইয়ে মিলে ভোটের আগে বাংলার রাজনীতি এখন চরম সরগরম।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *