অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপির বড় চমক! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা কী থাকছে সংকল্পপত্রে?

কলকাতা: বঙ্গ রাজনীতির পারদ চড়িয়ে রাজ্যে পা রাখছেন অমিত শাহ। শুক্রবার তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হতে চলেছে বিজেপির বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচনী ইস্তাহার বা ‘সংকল্পপত্র’। গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যের আনাচে-কানাচে ড্রপবক্স বসিয়ে সাধারণ মানুষের থেকে নেওয়া মতামতের ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে এই নীল নকশা। সূত্রের খবর, তৃণমূলের জনপ্রিয় ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের পাল্টা হিসেবে আরও বড় অংকের আর্থিক সুবিধার ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ ঘোষণা করতে পারে গেরুয়া শিবির।
বিজেপির এই সংকল্পপত্রে সরকারি কর্মীদের জন্য বড়সড় উপহারের ইঙ্গিত মিলেছে। ক্ষমতায় আসার মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার পাশাপাশি ছয় মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্যপদে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে পদ্ম শিবির। এ ছাড়াও থাকছে বিলুপ্ত সরকারি পদগুলি ফিরিয়ে আনার আশ্বাস। কেন্দ্রীয় প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত রাজ্যে চালু করা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের বার্তাও থাকছে এই ইস্তাহারে। সংকল্পপত্র কমিটির চেয়ারম্যান তাপস রায়ের দাবি, তৃণমূলের ইস্তাহার স্রেফ ‘ভাঁওতা’, যা বিগত বছরগুলোর মতোই একই প্রতিশ্রুতির পুনরাবৃত্তি মাত্র। ২৮ মার্চ শনিবার অমিত শাহের হাত ধরে এই সংকল্পপত্র প্রকাশের পরই নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বিজেপির সংকল্পপত্রের সম্ভাব্য হাইলাইটস
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা হিসেবে মাসে আরও বেশি টাকার আর্থিক প্রকল্প।
- সপ্তম বেতন কমিশন: ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে সরকারি কর্মীদের জন্য কার্যকর করা।
- গণনিয়োগ: ৬ মাসের মধ্যে সমস্ত সরকারি শূন্যপদে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
- আয়ুষ্মান ভারত: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে চালু করা।
- যুবসাথী: যুবকদের স্বনির্ভর করতে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ বা প্রকল্প।