অস্ত্র রফতানিতে চাঙ্গা মার্কিন অর্থনীতি, রেকর্ড মুনাফায় ট্রাম্প প্রশাসন

অস্ত্র রফতানিতে চাঙ্গা মার্কিন অর্থনীতি, রেকর্ড মুনাফায় ট্রাম্প প্রশাসন

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের আবহে বিশ্বজুড়ে মারণাস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মার্কিন অর্থনীতি। মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও কুয়েত থেকে ইতিমধ্য়েই ১৬.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি যুদ্ধাস্ত্রের বরাত পেয়েছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলি। বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার এবং যুদ্ধবিমানের সরঞ্জামের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে ‘রেথিয়ন’ ও ‘লকহিড মার্টিন’-এর মতো সংস্থাগুলোর শেয়ার দর আকাশচুম্বী।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ব্যয়ভার মেটাতে ১৮ লক্ষ ৭৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি অতিরিক্ত তহবিল চাওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের বিতর্কিত মন্তব্যের মাঝেই ডেমোক্র্যাটরা এই বিপুল খরচের বিরোধিতা করছে। তবে অস্ত্র উৎপাদনকারী শক্তিশালী লবির সমর্থন ট্রাম্প প্রশাসনের পাশেই রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ধস নামলেও প্রতিরক্ষা খাতের এই রমরমা বাণিজ্য আদতে মার্কিন ‘ওয়ার ইকোনমি’-কে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

বর্তমানে ইরান যুদ্ধ মূলত আকাশপথে সীমাবদ্ধ থাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ট্র্যাকিং ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার বাজার তুঙ্গে। নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মিত্র দেশগুলোতে অস্ত্র সরবরাহ করে মার্কিন সংস্থাগুলি এ বছর অতীতের সমস্ত আয়ের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বজুড়ে অস্ত্রের জোগান বাড়িয়েই ধুঁকতে থাকা অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার কৌশল নিয়েছে আমেরিকা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *