অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স মাঝপথে বন্ধ করলে ওত পেতে আছে বড় বিপদ

অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স মাঝপথে বন্ধ করলে ওত পেতে আছে বড় বিপদ

অ্যান্টিবায়োটিক মূলত শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রুখতে বা তাদের ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়। পেনিসিলিন বা অ্যাজিথ্রোমাইসিনের মতো ওষুধগুলো নির্দিষ্ট প্রোটিন বা কোষকে লক্ষ্য করে কাজ করে, যা মানবদেহের কোষের ক্ষতি করে না। তবে চিকিৎসকদের মতে, সাধারণ সর্দি-কাশি বা ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে এই ওষুধের কোনো ভূমিকা নেই। তাই সঠিক রোগ নির্ণয় করে তবেই অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা উচিত।

অনেকেই সংক্রমণ একটু কমলে বা শরীর ভালো লাগলে ওষুধের কোর্স মাঝপথে ছেড়ে দেন। বিশেষজ্ঞ রভনীত কৌরের মতে, এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস। কোর্স সম্পূর্ণ না করলে শরীরের ভেতরে কিছু শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়া বেঁচে যায় এবং তারা নিজেদের চরিত্র বদলে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। এই মিউট্যান্ট ব্যাকটেরিয়াগুলো পরবর্তীতে শরীরে পুনরায় রোগ ফিরিয়ে আনে, যা সাধারণ ওষুধে সারানো প্রায় আসাম্ভব হয়ে পড়ে।

অ্যান্টিবায়োটিক নির্দিষ্ট সময় ধরে জীবাণু ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা হয়। চিকিৎসা মাঝপথে থামিয়ে দিলে বেঁচে থাকা জীবাণুগুলো দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে সংক্রমণকে আরও জটিল করে তোলে। এতে অসুস্থতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পাশাপাশি শরীরের অন্য অংশেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সুস্থ থাকতে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে অ্যান্টিবায়োটিকের নির্ধারিত কোর্স সম্পূর্ণ করা একান্ত জরুরি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *