আওয়ামী লিগ নেতাদের জামিনে অলিখিত শর্ত: রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হলেই পুনরায় গ্রেফতারের নির্দেশ

বাংলাদেশে আওয়ামী লিগ নেতাকর্মীদের জামিন প্রাপ্তি এবং পরবর্তী রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে নতুন প্রশাসনিক নির্দেশনা জারি হয়েছে। রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ বা স্থগিত ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা জামিন পাওয়ার পর পুনরায় দলকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করলে তাদের ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হবে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মৌখিকভাবে দেশের সব জেলায় এই বার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে যারা দলীয় কার্যক্রমে যুক্ত হবেন না, তাদের গ্রেফতার না করার কথা বলা হয়েছে। এদিকে, আওয়ামী লিগ এই পদক্ষেপকে জামিনের ক্ষেত্রে এক ধরণের ‘প্রাক-শর্ত’ হিসেবে দেখছে। তাদের দাবি, হাজার হাজার নেতাকর্মী দীর্ঘ সময় ধরে কারাবন্দি রয়েছেন।
অন্যদিকে, পুলিশ প্রশাসনের মতে, আওয়ামী লিগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর এখনও আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে জামিন পেলেও তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার সুযোগ নেই। এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ভিত্তিহীন মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা রোধে মাঠ পর্যায়ে কড়া নজরদারি বজায় রাখছে প্রশাসন।