আকাশছোঁয়া দাম ও খাদ্যসংকট নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে হাহাকার ভারতকেও দিচ্ছে বড় ধাক্কা

ইরান যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ হতে না হতেই বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো (জিসিসি) তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্যের প্রায় ৯০ শতাংশ এবং চালের পুরোটা আমদানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় ভারত থেকে পাঠানো প্রায় ৪ লক্ষ টন বাসমতি চাল ইরানি বন্দরে আটকে আছে। সমুদ্রপথ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ায় আকাশপথে পণ্য পরিবহনের চেষ্টা চলছে, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ।
এই সংকটের প্রভাব সরাসরি আছড়ে পড়ছে ভারতীয় কৃষি ও অর্থনীতিতে। কুয়েত, কাতার ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে ভারত প্রধান চাল সরবরাহকারী হওয়ায় রপ্তানি বন্ধের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হরিয়ানার মিল মালিকরা। কন্টেইনার ভাড়া ১৮০০ ডলার থেকে বেড়ে ৩৮০০ ডলারে পৌঁছানোয় এবং সামুদ্রিক বিমার খরচ বৃদ্ধিতে সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়েছে। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে খাদ্যের দাম আকাশচুম্বী হলেও ভারতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের দাম অস্বাভাবিক কমে গিয়ে কৃষকদের বড়সড় লোকসানের মুখে ঠেলে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।