আমেরিকা-ইজরায়েলি হামলার পালটা জবাব ইরানের, যুদ্ধের মেঘে ঘনীভূত জ্বালানি সংকট

ইরানের দীর্ঘতম সেতু বি ১-এ আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিধ্বংসী বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা চরম সীমায় পৌঁছেছে। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলের আটটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুকে নিজেদের ‘হিট লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত করেছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার ভিডিও প্রকাশ করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেও ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ডে শত্রুসৈন্য প্রবেশ করলে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পেন্টাগন ইতোমধ্যে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন করেছে এবং স্থল অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। অন্যদিকে, ইরানের সেনা প্রধান আমির হাতামির পালটা হুমকির ফলে পুরো অঞ্চল এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই সংঘাতের জেরে বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক পথ হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের উদ্যোগে আয়োজিত ৬০টি দেশের জরুরি বৈঠকে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলায় একমাত্র ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা ভারতের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।