ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেনের সাহায্য নেওয়ার দাবি ওড়ালেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের ধ্বংসযজ্ঞ রুখতে ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে আমেরিকা—প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির এমন দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জেলেনস্কির দাবি ছিল, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে এই ড্রোন মোকাবিলায় তারা বিশেষ দক্ষতা অর্জন করায় আমেরিকা ও অন্যান্য দেশ তাদের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চাইছে। তবে ট্রাম্প পাল্টা জবাবে জানান, আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের সেরা এবং কোনো দেশ বা ব্যক্তির সাহায্যের প্রয়োজন তাদের নেই।
জেলেনস্কির এই দাবিকে উপহাস করে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা সাহায্য চাইবে এমন তালিকার শেষ ব্যক্তি হবেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, আমেরিকার বর্তমান সামরিক সক্ষমতা যথেষ্ট শক্তিশালী এবং ইউক্রেনের মতো দেশের কাছে হাত পাতার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। যদিও ইরান ও রাশিয়ার যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি এই ড্রোনগুলো বর্তমানে আধুনিক রণক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবুও ট্রাম্প একে গুরুত্ব দিতে নারাজ।
অন্যান্য দেশের প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের হুমকির মুখে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চিন, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মতো মিত্র দেশগুলোর এগিয়ে আসা উচিত। ইরানের পক্ষ থেকে তেল সরবরাহ বন্ধের হুঁশিয়ারি আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি ও সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমেরিকা বিশ্বশক্তির সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিলেও ড্রোন ইস্যুতে ইউক্রেনের বিশেষ ভূমিকার কথা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছে।