ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে আমেরিকা

ইরানের ধারাবাহিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে হামলার পর ওয়াশিংটন তাদের কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য হচ্ছে। উদ্ভূত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসন জাহাজে মজুত থাকা প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পরিকল্পনা করছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের ফলে বর্তমানে সস্তায় চীনে যাওয়া তেল এশিয়ার অন্যান্য বাজারেও উন্মুক্ত হবে।
তবে এই নমনীয় মনোভাবের পাশাপাশি কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে হোয়াইট হাউস। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান যদি পুনরায় কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সুবিধাসম্পন্ন এলাকায় আক্রমণ করে, তবে পালটা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ভাণ্ডার ধ্বংস করে দেওয়া হবে। মূলত তেলের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং রাশিয়ার মতো বিকল্প পথ তৈরির লক্ষ্যেই আমেরিকা এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা ভাবছে। এই কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের দিকে এখন নজর রাখছে গোটা বিশ্ব।