ইরানের ‘অদৃশ্য অস্ত্রে’ দিশেহারা আমেরিকা: মাঝ আকাশে ধ্বংস একের পর এক যুদ্ধবিমান

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ইরানের একের পর এক হামলায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে আমেরিকার আকাশ-শক্তি। শুক্রবার তেহরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করতেই ইরানের সুনির্দিষ্ট আক্রমণে ধ্বংস হয়েছে মার্কিন এফ-১৫ই এবং এ-১০ যুদ্ধবিমান। এই ঘটনায় একজন পাইলট নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া দুটি মার্কিন ‘ব্ল্যাক হক’ হেলিকপ্টার অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও মার্কিন সামরিক মহলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে ‘মাজিদ’ নামক এক শক্তিশালী মিসাইল। কাঁধে বহনযোগ্য এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রাডারে ধরা পড়ে না। এর ইনফ্রারেড সেন্সর প্রতিপক্ষের বিমানের ইঞ্জিনের তাপ শনাক্ত করে নিখুঁত লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। বিশেষ করে নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানের জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত প্রাণঘাতী ও কার্যত অদৃশ্য হয়ে ওঠে।
ইরানের এই রণকৌশল ৪৭ বছর আগের সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের স্মৃতি উসকে দিচ্ছে। সেই সময় মার্কিন স্টিঙ্গার মিসাইল ব্যবহার করে আফগান যোদ্ধারা যেভাবে সোভিয়েত বিমান ভূপাতিত করেছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানও সেই একই কৌশল অবলম্বন করছে বলে মনে করা হচ্ছে। তেহরানের এই ‘অদৃশ্য অস্ত্রের’ মোকাবিলায় এখন রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে পেন্টাগন।