ইরানের তেল খনিতে ইজরায়েলি হামলা, তেহরানে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা
.jpeg.webp?w=1122&resize=1122,675&ssl=1)
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এক নতুন মোড় নিল ইজরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযান। মার্কিন সমর্থনে ইরানের রাজধানী তেহরানের নিকটবর্তী বৃহত্তম তেল শোধনাগার এবং একাধিক জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে সরাসরি হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী। রবিবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, শাহর-ই-রে রিফাইনারি কমপ্লেক্স এবং শাহরান ডিপোসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিকাঠামো এই আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়াই এই হামলার নেপথ্য উদ্দেশ্য। এর ফলে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন, সামরিক পরিবহন এবং সাধারণ নাগরিক পরিষেবা মারাত্মক চাপের মুখে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে ইরানের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্রগুলো এই যাত্রায় রক্ষা পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহে এখনই কোনো বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই।
এই ঘটনার পাল্টায় ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। পরিস্থিতি জটিলতর হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অবরুদ্ধ হলে বিশ্ববাজারে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে। আপাতত তেহরান ও সংলগ্ন এলাকায় জ্বালানি লিক এবং সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবিলাই প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।