ইরানে যুদ্ধক্ষেত্রে ১২ বছরের শিশুদের নিয়োগ, অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আইআরজিসি

ইরানে যুদ্ধক্ষেত্রে ১২ বছরের শিশুদের নিয়োগ, অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আইআরজিসি

ইরানে যুদ্ধে অংশগ্রহণের ন্যূনতম বয়সসীমা ১৮ থেকে কমিয়ে ১২ বছর করা হয়েছে। ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সম্প্রতি ‘ফর ইরান’ নামক বিশেষ কর্মসূচির অধীনে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। এর ফলে ১২ বছর বয়সী শিশুদেরও এখন যুদ্ধের ময়দানে পাঠানোর পথ প্রশস্ত হলো। বর্তমানে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের চেকপোস্টে এসব শিশুদের মোতায়েন করে গাড়ি তল্লাশি ও সন্দেহভাজনদের দেহ তল্লাশির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, শিশুদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রাণঘাতী কাজে নিয়োগ করা আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের পরিপন্থী। এর আগেও অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমনে শিশুদের ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে দেশটির বিরুদ্ধে। বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে এই পদক্ষেপকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ অবশ্য দাবি করেছে যে, ১৮ বছরের কম বয়সীদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক নয়। অভিভাবক এবং শিশুরা চাইলে কেবল ‘সহযোগী’ হিসেবে এই কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টি শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল একে শিশুদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছে। ১২০ শব্দের এই প্রতিবেদনটি বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও শিশু অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *