ইরান-পশ্চিম এশিয়া সংকটে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ, শান্তি ফেরাতে উদ্যোগী মোদি

ইরানের ‘জ্বালানি যুদ্ধের’ জেরে ভারতে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিতে বড়সড় সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কাতারের গ্যাস ঘাঁটি ও সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে তেহরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালী কার্যত রুদ্ধ হওয়ায় ভারতের শক্তি নিরাপত্তার ওপর সরাসরি চাপ বাড়ছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ওমানের সুলতান হাইতাম বিন তারিক এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ করেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমান সংঘাত নিরসনে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করে কূটনীতি ও আলোচনার পথে হাঁটা প্রয়োজন। পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে ভারত ও ফ্রান্স একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।
জ্বালানি আমদানির জন্য ভারত অনেকাংশে হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। ওমানের সুলতানের সঙ্গে আলাপকালে মোদি একটি নিরাপদ ও মুক্ত সামুদ্রিক পথের ওপর জোর দেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতায় ভারতে ইতিমধ্যেই গ্যাসের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। নিজের স্বার্থেই নয়াদিল্লি এখন আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা নিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতি এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাইছে।