ইসলামাবাদে কি আমেরিকা-ইরান বৈঠক? মধ্যস্থতায় পাকিস্তানসহ একাধিক রাষ্ট্র

পশ্চিম এশিয়ায় ঘনীভূত উত্তেজনার আবহে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রয়টার্স ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসতে পারেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়ে আলোচনার পথ প্রশস্ত করেছেন। যদিও তেহরান সরাসরি আলোচনার খবর অস্বীকার করেছে, তবে ইউরোপীয় সূত্রগুলো একে ‘পরোক্ষ বার্তা আদান-প্রদান’ হিসেবে দেখছে।
এই সম্ভাব্য কূটনৈতিক তৎপরতায় পাকিস্তান ছাড়াও তুরস্ক ও মিশর গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। জানা গেছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যথাক্রমে ট্রাম্প ও ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন। ইসলামাবাদে এই বৈঠকের প্রস্তাব পাকিস্তানই দিয়েছে বলে খবর। মার্কিন প্রতিনিধি দলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং জারেড কুশনারের থাকার সম্ভাবনা থাকলেও হোয়াইট হাউস এখনও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
গত সাড়ে তিন সপ্তাহ ধরে চলা অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক অচলাবস্থা নিরসনে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। স্টিভ উইটকফের মতো মার্কিন কূটনীতিকরা ইতিমধিই পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ আলোচনায় অংশ নিতে পারেন। বিশ্বজুড়ে তেলের বাজার ও বাণিজ্যিক নিরাপত্তা রক্ষায় এই মধ্যস্থতা সফল হয় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।