উচ্চ প্রাথমিকে ১২৪১ পদের নিয়োগ জটিলতা ৩০ মার্চ হাইকোর্টে তলব শিক্ষাসচিব ও স্কুলশিক্ষা কমিশনারকে

স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে উচ্চ প্রাথমিকে ১২৪১ জন শিক্ষক পদপ্রার্থীর নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে থাকায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়ায় আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাসচিব, স্কুলশিক্ষা কমিশনার এবং কমিশনের চেয়ারম্যানকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৫,৭১৩টি শূন্যপদের মধ্য থেকেই এই প্রার্থীদের নিয়োগের কথা ছিল, কিন্তু বিকাশ ভবনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ না নেওয়ায় তাঁদের ভবিষ্যৎ বর্তমানে অনিশ্চিত।
আগের কাউন্সেলিংয়ে যোগ্যতা, ভাষা মাধ্যম এবং বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদ না থাকায় এই প্রার্থীরা বাদ পড়েছিলেন। তবে হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে তাঁদের নিয়োগের নির্দেশ দিলেও শিক্ষা দপ্তর কেন উদ্যোগী হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ। সংগঠনের সভাপতি সুশান্ত ঘোষ জানিয়েছেন, ৩০ মার্চের মধ্যে নিয়োগের ব্যবস্থা না করলে আদালত কড়া আইনি পদক্ষেপ বা রুল জারি করতে পারে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা এই বিষয়ে আপাতত নীরব থাকলেও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
অন্যদিকে, নিয়োগের এই টানাপোড়েনের মধ্যেই বিকাশ ভবনে নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন এনএসকিউএফ শিক্ষকরা। সমগ্র শিক্ষা মিশনের রাজ্য প্রকল্প অধিকর্তার সঙ্গে দেখা করে তাঁরা স্থায়ীকরণ, এজেন্সি প্রথার অবসান এবং বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। নিয়োগ এবং স্থায়ীকরণের জোড়া দাবিতে এখন উত্তাল শিক্ষা দপ্তর। আদালতের আগামী শুনানি এবং শিক্ষা দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছেন কয়েক হাজার শিক্ষক পদপ্রার্থী ও কর্মরত শিক্ষক।