উন্নয়ন বিসর্জন দিয়ে সন্ত্রাসে গুরুত্ব: একসময়ের ধনী পাকিস্তান এখন দক্ষিণ এশিয়ায় তলানিতে

একসময়ের সমৃদ্ধ অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান এখন গভীর সংকটে। ২০০০ সালে পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় ভারতের চেয়ে বেশি থাকলেও বর্তমানে তা ভারতের প্রায় অর্ধেক। বাংলাদেশের মতো দেশগুলোও অর্থনৈতিক মানদণ্ডে পাকিস্তানকে বহু পেছনে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভুল রাষ্ট্রনীতি এবং উন্নয়নের বদলে নেতিবাচক খাতে বিনিয়োগই দেশটির এই করুণ পরিণতির মূল কারণ।
দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেওয়া এবং প্রতিবেশী দেশে অশান্তি ছড়ানোর নীতি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার মতো ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে দেশটির ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে, যার ফলে বিদেশি বিনিয়োগ আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানব উন্নয়ন সূচকেও দেশটি এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পিছিয়ে পড়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে পাকিস্তান কার্যত আইএমএফ-এর ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ১৯৫৮ সাল থেকে রেকর্ড ২৪ বার ঋণ নিলেও পরিকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি। অভ্যন্তরীণ জঙ্গি হামলা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে স্টার্টআপ তহবিল ও ব্যবসা-বাণিজ্য লাটে উঠেছে। বর্তমানে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ভিত্তি করেই ধুঁকতে ধুঁকতে টিকে আছে দেশটির অর্থনীতি।