কঙ্গোর ভিরুঙ্গা পার্কে বিরল ঘটনা, দুই মাসে দ্বিতীয়বার গরিলা যমজ সন্তানের জন্ম

কঙ্গোর ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্কে বিলুপ্তপ্রায় পাহাড়ি গরিলা সংরক্ষণে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে। গত তিন মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার সেখানে যমজ গরিলা শাবকের জন্ম হলো। পার্কের ‘বারাকা’ পরিবারে সম্প্রতি একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী শাবকের আগমন ঘটেছে। এর আগে গত জানুয়ারিতে ‘বাগেনি’ পরিবারেও যমজ শাবক জন্মেছিল, যা বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের কাছে অত্যন্ত বিস্ময়কর ও স্বস্তির খবর।
সাধারণত পাহাড়ি গরিলার ক্ষেত্রে যমজ সন্তান জন্মের হার মাত্র ১ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মা গরিলা শারীরিকভাবে অত্যন্ত সুস্থ থাকলেই এমন বিরল ঘটনা ঘটে। পূর্ব কঙ্গোর অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও সংরক্ষণ প্রচেষ্টার সাফল্যের প্রমাণ দিচ্ছে এই নবজাতকরা। বর্তমানে ১৯ সদস্যের এই গরিলা পরিবারে নতুন অতিথিদের ঘিরে বিশেষ নজরদারি ও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
১৯৭০-এর দশকে পাহাড়ি গরিলার সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে ২৫০-এ দাঁড়িয়েছিল। নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় ২০১৮ সালে এই সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যায়, যার ফলে তাদের ‘অতি বিপন্ন’ তালিকা থেকে সরিয়ে ‘বিপন্ন’ হিসেবে গণ্য করা হয়। আফ্রিকার প্রাচীনতম এই অরণ্যে গরিলা ডক্টরদের বিশেষ চিকিৎসা সেবা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ বিলুপ্তির হাত থেকে এই প্রজাতিকে বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।