কেদার-বद्रीসহ উত্তরাখণ্ডের ৪৫ মন্দিরে অ-হিন্দুদের প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি হতে চলেছে

উত্তরাখণ্ডের বিশ্বখ্যাত চারধাম যাত্রা শুরুর আগেই এক বড়সড় নীতিগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে। ওড়িশার পুরী জগন্নাথ মন্দিরের আদলে এবার কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ ধামেও শুধুমাত্র হিন্দুদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব মন্দির ব্যবস্থাপনা বোর্ডের বৈঠকে পাস হয়েছে।
গঙ্গোত্রী মন্দির কমিটির সভাপতি হেমন্ত দ্বিবেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে অ-হিন্দুদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। বোর্ড সভাপতি হেমন্ত দ্বিবেদী জানিয়েছেন, এই ঐতিহ্য আদি শঙ্করাচার্যের সময় থেকে চলে আসছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ কোনো পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং এগুলি বৈদিক আধ্যাত্মিকতার মূল কেন্দ্র।” ভারতীয় সংবিধানের ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব নিয়ম নির্ধারণ করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। আগামী মাস থেকে তীর্থযাত্রা মরশুম শুরু হতেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হতে পারে, যার ফলে অ-হিন্দুরা মন্দির চত্বর বা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না।
চলতি বছর ১৯ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকে চারধাম যাত্রা শুরু হচ্ছে। কেদারনাথের কপাট ২২ এপ্রিল এবং বদ্রীনাথের কপাট ২৩ এপ্রিল খুলবে। গঙ্গোত্রী মন্দির কমিটির তথ্য অনুযায়ী, কেদার-বদ্রীসহ ওই অঞ্চলের মোট ৪৫টি মন্দিরে এই নিয়ম কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তরাখণ্ডের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া অনিবার্য বলে মনে করছে কমিটি।