কেন্দ্রীয় অসহযোগিতায় খাদ্যশস্য সংগ্রহে বাধা: চরম ক্ষতির মুখে বাংলার কৃষকরা

পশ্চিমবঙ্গে ধান সংগ্রহের কেন্দ্রীয় নীতি পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় রাজ্যের কৃষকরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, মোদি সরকারের অসহযোগিতার কারণে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) চাষিদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত ধান কেনা সম্ভব হচ্ছে না। খোলাবাজারের তুলনায় এমএসপি বেশি হওয়ায় সরকারিভাবে ধান বিক্রি করতে না পেরে কৃষকরা ন্যায্য লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
রাজ্য খাদ্য দপ্তর ও রাইস মিল মালিকদের দাবি, এফসিআই অগ্রিম অর্থ প্রদান না করায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থায় রাজ্যকে প্রথমে নিজস্ব তহবিল থেকে ধান কিনে চাল তৈরি করতে হয়, যার বকেয়া টাকা কেন্দ্র অনেক পরে মেটায়। এফসিআই-কে অতিরিক্ত চাল সরবরাহ করলে আর্থিক চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কায় রাজ্য পিছু হটছে।
চলতি খরিফ মরশুমে ইতোমধ্যে প্রায় ২৬ লক্ষ কৃষক সরকারের কাছে ৪৮ লক্ষ টন ধান বিক্রি করেছেন। তবে কেন্দ্রীয় নীতিতে স্বচ্ছতা ও অগ্রিম অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা থাকলে আরও বহু চাষি উপকৃত হতে পারতেন। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান কেনার প্রক্রিয়া চললেও কেন্দ্রের অনমনীয় মনোভাব রাজ্যের কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।