গর্ভে থাকা সন্তান কি ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত? আগেভাগে জেনে নেওয়া কেন জরুরি

মা হওয়ার আনন্দ আর উৎকণ্ঠার মাঝে চিকিৎসকরা এখন সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছেন গর্ভাবস্থার স্ক্রিনিংয়ের ওপর। বিশেষ করে ডাউন সিনড্রোম নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ২১ মার্চ পালিত হয় বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস। মানবশরীরে ২১ নম্বর ক্রোমোজোমের অতিরিক্ত উপস্থিতির কারণে এই জিনগত সমস্যা তৈরি হয়, যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রভাব ফেলে।
ডাউন সিনড্রোম মানেই কেবল বুদ্ধিবিকাশের সমস্যা নয়; এর সাথে জড়িয়ে থাকতে পারে হৃদরোগ বা থাইরয়েডের মতো জটিলতাও। তাই গর্ভাবস্থার প্রথম ও দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে স্ক্রিনিং টেস্ট করালে ভবিষ্যতের ঝুঁকি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে, এই পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ভয় দেখানো নয়, বরং হবু বাবা-মাকে সঠিক তথ্য দিয়ে মানসিকভাবে শক্তিশালী করা। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করা গেলে শিশুর বিশেষ যত্ন, চিকিৎসা এবং আর্থিক পরিকল্পনা গুছিয়ে নেওয়া অনেক সহজ হয়।
আপনার অনাগত সন্তানের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।