গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় দেশে জরুরি ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন’ কার্যকর

গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় দেশে জরুরি ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন’ কার্যকর

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় দেশে এলপিজি আমদানিতে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক ১৯৫৫ সালের ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন’ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের অভাব এবং দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতেই এই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে নয়াদিল্লি।

এই আইনের আওতায় গৃহস্থালির গ্যাস সরবরাহকে ১০০ শতাংশ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক ক্ষেত্র ও চা শিল্পকে ৮০ শতাংশ এবং সার কারখানাগুলিকে ৭০ শতাংশ অগ্রাধিকার দিতে হবে। হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায়ীদের একাংশ গ্যাসের অভাবে ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করায় কেন্দ্র মজুতদারি রুখতে এবং বণ্টন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

১৯৫৫ সালের এই আইন সরকারকে যেকোনো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দেয়। এর আগে করোনা অতিমারির সময় স্যানিটাইজারের কালোবাজারি রুখতে এই আইন ব্যবহার করা হয়েছিল। বর্তমানে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের জোগান স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে সরকার এই আইনি ধারা প্রয়োগ করে বাজার নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *